আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

image-101085-1691221863.jpg

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের নেতাকর্মীদের আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আজ গণভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় সমাপনী ভাষণে বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
দলীয় প্রধানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সভায় উপস্থিত সকল নেতাকর্মী হাত তুলে নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীকে আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশনা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের একমাত্র শক্তি জনগণ।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত সাড়ে ১৪ বছরে প্রতিটি এলাকায় যেসব উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে তা জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য তার দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় বাংলাদেশে এসব উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।
বিএনপি এবং এর নেতাদের কর্মকা-ের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘বিএনপির জন্মই হয়েছে সম্পূর্ণ পাপের মধ্যে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে এবং সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে বিএনপির জন্ম হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকে বিএনপি অগ্নিসংযোগ, মানুষ হত্যা, অবরোধ কর্মসূচিসহ নানা অপকর্ম করেছে। তবে, কোনো আন্দোলনই দেশ ও জনগণের ক্ষতি করতে পারবে না, কারণ, আওয়ামী লীগ একটি শক্তিশালী সংগঠন এবং জনগণের কাছে আমাদের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
তিনি বলেন, কিন্তু (বিএনপি) ধীরে ধীরে জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
গুজব ও ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো কারো কাছে মাথা নত করে না।
সভায় আওয়ামী লীগের প্রায় ৫ হাজার নেতাকর্মী ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি অংশ নেন।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদ, আওয়ামী লীগের জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌরসভা ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সংসদ সদস্য, জেলা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার মেয়র এবং আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনের আগে দলের নেতৃবৃন্দকে দিকনির্দেশনা দিতে আওয়ামী লীগ এ ধরনের সভার আয়োজন করে থাকে। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৭ সালের ২৩ জুন এ এই ধরনের সর্বশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।  
বৈঠকের শুরুতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বক্তব্য রাখেন এবং ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম সভা পরিচালনা করেন।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

image-101085-1691221863.jpg

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের নেতাকর্মীদের আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আজ গণভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় সমাপনী ভাষণে বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
দলীয় প্রধানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সভায় উপস্থিত সকল নেতাকর্মী হাত তুলে নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীকে আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশনা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের একমাত্র শক্তি জনগণ।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত সাড়ে ১৪ বছরে প্রতিটি এলাকায় যেসব উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে তা জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য তার দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় বাংলাদেশে এসব উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।
বিএনপি এবং এর নেতাদের কর্মকা-ের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘বিএনপির জন্মই হয়েছে সম্পূর্ণ পাপের মধ্যে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে এবং সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে বিএনপির জন্ম হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকে বিএনপি অগ্নিসংযোগ, মানুষ হত্যা, অবরোধ কর্মসূচিসহ নানা অপকর্ম করেছে। তবে, কোনো আন্দোলনই দেশ ও জনগণের ক্ষতি করতে পারবে না, কারণ, আওয়ামী লীগ একটি শক্তিশালী সংগঠন এবং জনগণের কাছে আমাদের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
তিনি বলেন, কিন্তু (বিএনপি) ধীরে ধীরে জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
গুজব ও ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো কারো কাছে মাথা নত করে না।
সভায় আওয়ামী লীগের প্রায় ৫ হাজার নেতাকর্মী ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি অংশ নেন।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদ, আওয়ামী লীগের জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌরসভা ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সংসদ সদস্য, জেলা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার মেয়র এবং আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনের আগে দলের নেতৃবৃন্দকে দিকনির্দেশনা দিতে আওয়ামী লীগ এ ধরনের সভার আয়োজন করে থাকে। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৭ সালের ২৩ জুন এ এই ধরনের সর্বশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।  
বৈঠকের শুরুতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বক্তব্য রাখেন এবং ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম সভা পরিচালনা করেন।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

image-101085-1691221863.jpg

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের নেতাকর্মীদের আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আজ গণভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় সমাপনী ভাষণে বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
দলীয় প্রধানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সভায় উপস্থিত সকল নেতাকর্মী হাত তুলে নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীকে আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশনা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের একমাত্র শক্তি জনগণ।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত সাড়ে ১৪ বছরে প্রতিটি এলাকায় যেসব উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে তা জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য তার দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় বাংলাদেশে এসব উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।
বিএনপি এবং এর নেতাদের কর্মকা-ের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘বিএনপির জন্মই হয়েছে সম্পূর্ণ পাপের মধ্যে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে এবং সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে বিএনপির জন্ম হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকে বিএনপি অগ্নিসংযোগ, মানুষ হত্যা, অবরোধ কর্মসূচিসহ নানা অপকর্ম করেছে। তবে, কোনো আন্দোলনই দেশ ও জনগণের ক্ষতি করতে পারবে না, কারণ, আওয়ামী লীগ একটি শক্তিশালী সংগঠন এবং জনগণের কাছে আমাদের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
তিনি বলেন, কিন্তু (বিএনপি) ধীরে ধীরে জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
গুজব ও ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো কারো কাছে মাথা নত করে না।
সভায় আওয়ামী লীগের প্রায় ৫ হাজার নেতাকর্মী ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি অংশ নেন।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদ, আওয়ামী লীগের জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌরসভা ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সংসদ সদস্য, জেলা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার মেয়র এবং আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনের আগে দলের নেতৃবৃন্দকে দিকনির্দেশনা দিতে আওয়ামী লীগ এ ধরনের সভার আয়োজন করে থাকে। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৭ সালের ২৩ জুন এ এই ধরনের সর্বশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।  
বৈঠকের শুরুতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বক্তব্য রাখেন এবং ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম সভা পরিচালনা করেন।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

image-101085-1691221863.jpg

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের নেতাকর্মীদের আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আজ গণভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় সমাপনী ভাষণে বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
দলীয় প্রধানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সভায় উপস্থিত সকল নেতাকর্মী হাত তুলে নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীকে আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশনা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের একমাত্র শক্তি জনগণ।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত সাড়ে ১৪ বছরে প্রতিটি এলাকায় যেসব উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে তা জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য তার দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় বাংলাদেশে এসব উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।
বিএনপি এবং এর নেতাদের কর্মকা-ের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘বিএনপির জন্মই হয়েছে সম্পূর্ণ পাপের মধ্যে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে এবং সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে বিএনপির জন্ম হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকে বিএনপি অগ্নিসংযোগ, মানুষ হত্যা, অবরোধ কর্মসূচিসহ নানা অপকর্ম করেছে। তবে, কোনো আন্দোলনই দেশ ও জনগণের ক্ষতি করতে পারবে না, কারণ, আওয়ামী লীগ একটি শক্তিশালী সংগঠন এবং জনগণের কাছে আমাদের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
তিনি বলেন, কিন্তু (বিএনপি) ধীরে ধীরে জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
গুজব ও ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো কারো কাছে মাথা নত করে না।
সভায় আওয়ামী লীগের প্রায় ৫ হাজার নেতাকর্মী ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি অংশ নেন।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদ, আওয়ামী লীগের জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌরসভা ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সংসদ সদস্য, জেলা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার মেয়র এবং আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনের আগে দলের নেতৃবৃন্দকে দিকনির্দেশনা দিতে আওয়ামী লীগ এ ধরনের সভার আয়োজন করে থাকে। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৭ সালের ২৩ জুন এ এই ধরনের সর্বশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।  
বৈঠকের শুরুতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বক্তব্য রাখেন এবং ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম সভা পরিচালনা করেন।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

image-101085-1691221863.jpg

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের নেতাকর্মীদের আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আজ গণভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় সমাপনী ভাষণে বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
দলীয় প্রধানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সভায় উপস্থিত সকল নেতাকর্মী হাত তুলে নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীকে আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশনা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের একমাত্র শক্তি জনগণ।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত সাড়ে ১৪ বছরে প্রতিটি এলাকায় যেসব উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে তা জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য তার দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় বাংলাদেশে এসব উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।
বিএনপি এবং এর নেতাদের কর্মকা-ের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘বিএনপির জন্মই হয়েছে সম্পূর্ণ পাপের মধ্যে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে এবং সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে বিএনপির জন্ম হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকে বিএনপি অগ্নিসংযোগ, মানুষ হত্যা, অবরোধ কর্মসূচিসহ নানা অপকর্ম করেছে। তবে, কোনো আন্দোলনই দেশ ও জনগণের ক্ষতি করতে পারবে না, কারণ, আওয়ামী লীগ একটি শক্তিশালী সংগঠন এবং জনগণের কাছে আমাদের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
তিনি বলেন, কিন্তু (বিএনপি) ধীরে ধীরে জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
গুজব ও ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো কারো কাছে মাথা নত করে না।
সভায় আওয়ামী লীগের প্রায় ৫ হাজার নেতাকর্মী ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি অংশ নেন।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদ, আওয়ামী লীগের জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌরসভা ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সংসদ সদস্য, জেলা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার মেয়র এবং আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনের আগে দলের নেতৃবৃন্দকে দিকনির্দেশনা দিতে আওয়ামী লীগ এ ধরনের সভার আয়োজন করে থাকে। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৭ সালের ২৩ জুন এ এই ধরনের সর্বশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।  
বৈঠকের শুরুতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বক্তব্য রাখেন এবং ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম সভা পরিচালনা করেন।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

image-101085-1691221863.jpg

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের নেতাকর্মীদের আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আজ গণভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় সমাপনী ভাষণে বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
দলীয় প্রধানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সভায় উপস্থিত সকল নেতাকর্মী হাত তুলে নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীকে আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশনা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের একমাত্র শক্তি জনগণ।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত সাড়ে ১৪ বছরে প্রতিটি এলাকায় যেসব উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে তা জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য তার দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় বাংলাদেশে এসব উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।
বিএনপি এবং এর নেতাদের কর্মকা-ের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘বিএনপির জন্মই হয়েছে সম্পূর্ণ পাপের মধ্যে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে এবং সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে বিএনপির জন্ম হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকে বিএনপি অগ্নিসংযোগ, মানুষ হত্যা, অবরোধ কর্মসূচিসহ নানা অপকর্ম করেছে। তবে, কোনো আন্দোলনই দেশ ও জনগণের ক্ষতি করতে পারবে না, কারণ, আওয়ামী লীগ একটি শক্তিশালী সংগঠন এবং জনগণের কাছে আমাদের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
তিনি বলেন, কিন্তু (বিএনপি) ধীরে ধীরে জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
গুজব ও ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো কারো কাছে মাথা নত করে না।
সভায় আওয়ামী লীগের প্রায় ৫ হাজার নেতাকর্মী ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি অংশ নেন।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদ, আওয়ামী লীগের জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌরসভা ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সংসদ সদস্য, জেলা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার মেয়র এবং আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনের আগে দলের নেতৃবৃন্দকে দিকনির্দেশনা দিতে আওয়ামী লীগ এ ধরনের সভার আয়োজন করে থাকে। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৭ সালের ২৩ জুন এ এই ধরনের সর্বশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।  
বৈঠকের শুরুতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বক্তব্য রাখেন এবং ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম সভা পরিচালনা করেন।

ভিসা ছাড়াই ৪৩ দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন বাংলাদেশিরা

mq2.jpg

প্রথম স্থানে আছে ইউরোপ ও এশিয়ার ছয়টি দেশ—ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, সিঙ্গাপুর ও স্পেন। এসব দেশের নাগরিকেরা বিশ্বের ১৯৪ দেশ ও অঞ্চলে বিনা ভিসায় ভ্রমণ করতে পারবেন। তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে, অর্থাৎ ৯৭তম। বিশ্বে ভিসামুক্ত চলাচল স্বাধীনতার ওপর গবেষণা করে এ সূচক প্রকাশ করে তারা।

সাম্প্রতিক এ সূচকের তথ্য বলছে, বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা এখন আগাম ভিসা ছাড়া বিশ্বের ৪২টি দেশ ও অঞ্চলে ভ্রমণ করতে পারেন। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৪০। নতুন র‍্যাঙ্কিংয়ে যুক্ত হয়েছে আরও দুটি নাম, আফ্রিকার কেনিয়া ও ওশেনিয়ার কিরিবাতি।

আগাম ভিসা ছাড়া বাংলাদেশিদের ভ্রমণের এই তালিকায় আছে এশিয়ার ৬টি দেশ। এ ছাড়া আ

রওশনের ঘোষণা আমলে নিচ্ছি না: মুজিবুল হক

chunnu.png

জি এম কাদেরকে বহিষ্কার করে রওশন এরশাদ যে নিজেই নিজেকে দলের চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছেন, একে আমলে নিচ্ছে না জাতীয় পার্টি (জাপা)।

জাপার মহাসচিব মুজিবুল হক আজ রোববার জরুরি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, দলের গঠনতন্ত্রে দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদকে এমন কোনো ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। তাই রওশনের ঘোষণার কোনো ভিত্তি নেই।

আজ বেলা পৌনে একটার দিকে ঢাকার গুলশানের বাসায় এক মতবিনিময় সভায় রওশন এরশাদ জাপার চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও মহাসচিব মুজিবুল হককে বহিষ্কার ঘোষণা করেন। নিজেকে দলের চেয়ারম্যান ও কাজী মামুনুর রশিদকে মহাসচিব ঘোষণা করেন তিনি।

জুলাইয়ে কমেছে সার্বিক মূল্যস্ফীতি, তবে বেড়েছে খাদ্যে

6b1269226f688990cc29e5e2611e38467ca19ab91b81fccc.jpg

দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৬৯ শতাংশে। তবে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ।
রোববার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবিএসের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ হয়েছে, জুনে যেটি ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

তবে জুলাই মাসে বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি। জুন মাসের চেয়ে শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৭৬ শতাংশে। জুন মাসে এর পরিমাণ ছিল ৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

আর জুন মাসে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ থাকলেও; জুলাইয়ে সেটি কমে ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: এক যুগে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি দেখল বাংলাদেশ

এ ছাড়া জুলাইতে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৮২ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতির পরিমাণ ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

আর শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪৩ শতাংশে। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমলেও; বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতির পরিমাণ। জুলাইতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ২০ শতাংশে।

ডিবি কার্যালয় থেকে বের হয়ে যা বললেন অপু বিশ্বাস

3686ec23d2ce2d52b92e48d3472f936926470ad21d1f0ddc.jpg

ডিবি কার্যালয় থেকে বের হয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, লাল শাড়ি ছবিটি আমার অনেক কষ্টের। ছবিটি নিয়ে পাইরেসির কথা বলতে আমি ডিবিতে এসেছিলাম।

পাশাপাশি আপনারা জানেন যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাইবার বুলিং অনেক বেড়ে গেছে। কারণে-অকারণে ভিউয়ার্স বাড়ানোর আশায় সাইবার বুলিং করা হচ্ছে। সাইবার বুলিং মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে বাধাগ্রস্ত করে, এটা কারো কাম্য নয়, বলেন নায়িকা।

‘লাল শাড়ি’ সিনেমার নির্মাতা অপু বিশ্বাস বলেন, কিছুদিন আগে ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমাটি পাইরেসির শিকার হয়েছিল। পরে সুড়ঙ্গ টিম ডিবির কাছে এসেছিল। এরপর গোয়েন্দারা এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনেছে। তাই আমার দৃঢ় বিশ্বাস লাল শাড়ি সিনেমার পাইরেসির সঙ্গে যারা জড়িত, ডিবি পুলিশ তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেবে।

এ নায়িকা বলেন, আমরা আর্টিস্টরা বিভিন্ন দেশে যাই। সেখানে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করি। সেটা নিয়ে বুলিং হলে আমাদের ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অপু বিশ্বাস বলেন, সাইবার বুলিংয়ের কথা আমি ডিবিতে অবগত করতে এসেছি। আমি সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে একটি সুষ্ঠু বিচার চেয়ে আবেদন করেছি। এ ছাড়া ডিবির সাইবার ক্রাইমে যারা আছেন, তারা আমাকে আশ্বস্ত করেছেন।

এর আগে ডিবি কার্যালয়ে আসার পর অপুর সঙ্গে দুপুরের খাবার খান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদ।

পরে হারুন অর রশিদ সাংবাদিকদের জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেতিবাচক, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের অভিযোগ নিয়ে ডিবি কার্যালয়ে এসেছেন অপু বিশ্বাস।

scroll to top